নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজীপুর মহানগরীতে বন্ধুর বাসায় নিমন্ত্রণে এসে মোঃ হেলাল(২২) নামের এক যুবককে ০৬ দিন আটক রেখে চাঁদা দাবির অপরাধে এক নারীসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে অপহৃত যুবককে উদ্ধার করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার দ্বীন-ই-আলম।
অপহৃত হেলাল হলো- কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার খাজংপাড়া এলাকার জাহিদ হোসেনের ছেলে। অপরদিকে গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- কালীগঞ্জ উপজেলার পানশাহি এলাকার মৃত আব্দুল আহাদের ছেলে মোঃ ইয়াকুব আলী (৪৪) এবং কুমিল্লার হোমনা থানার চান্দের চড় এলাকার মিলন মিয়ার স্ত্রী মোছাঃ শিরিন আক্তার (৪৩)। সে সদর থানার উত্তর ছায়াবীথি নয়াবাড়ী এলাকার আঃ রউফের বহুতল ভবনের ৭ম তলায় বসবাস করত।
জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট, ২০২৫ বিকালে অপহৃত হেলাল তার নিজের বাড়ী থেকে পূর্ব পরিচিত ব্যবসায়ীক বন্ধুর নিমন্ত্রণে উত্তর ছায়াবিথী শ্মশানঘাট এলাকায় বেড়াইতে আসে। বেড়াইতে আসার পর থেকে তার পরিবারের কোন যোগাযোগ নাই। গত ৩১ আগস্ট সকালে গ্রেফতারকৃতরাসহ আসামী মোঃ আল আমিন ও তার অনুসারী আরো ১/২ জন অবৈধভাবে আটক রেখে অপহৃত হেলালের ব্যবহৃত মোবাইলের ইমো ও হোয়াটসঅ্যাপ থেকে অপহৃতের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মোবাইলে ফোন করে ক্রমাগত ভাবে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা প্রদানের জন্য ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। অপহৃতের পরিবার বর্গ এঘটনায় এজাহার দায়েরের প্রেক্ষিত সদর থানায় ০৭ নং মামলাটি রুজু করার পর তাৎক্ষণিক অপরাধ উত্তর বিভাগের ডিসি রবিউল হাসান, সদর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার দ্বীন-ই- আলমের দিকনির্দেশনায় সদর থানার চৌকস ওসি মেহেদী হাসানের নিরলস প্রচেষ্টায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে এসআই জাবেদ একই বাসা থেকে অপহৃত হেলালকে উদ্ধার করাসহ আসামীদের গ্রেফতার করে।
এসংক্রান্তে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি মিডিয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানান, উক্ত অভিযান পরিচালনার কারনে স্থানীয়রা পুলিশের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান পরিচালনায় সামাজিকভাবে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

